Categories
Uncategorized

বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভে এখনও উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র | USA News | Somoy TV



আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://www.somoynews.tv “SOMOY TV” is the Most Reliable News Source and Leading 24/7 News Based TV Channel in …

source

11 replies on “বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভে এখনও উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র | USA News | Somoy TV”

ইসলাম প্রচারের জন্য আমাদের চ্যানলটি সাব্সক্রাইব করার আমন্ত্রন রইলো ||♥||

মুসলমানদের ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বর্তমান অবস্থা জানতে আমার চ্যানেল টিতে ঘুরে আসুন

ফ্রিজে পানি রাখলে যেমন ঠান্ডা লাগে🌹 তেমনি কুরআন পড়লে নামাজ পড়লে কলিজা ঠান্ডা থাকে ❤️❤️
ভালো লাগলে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন আসা করি প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা।

ফ্রিজে পানি রাখলে যেমন ঠান্ডা লাগে🌹 তেমনি কুরআন পড়লে নামাজ পড়লে কলিজা ঠান্ডা থাকে ❤️❤️
ভালো লাগলে আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন আসা করি প্রিয় মুসলমান ভাইয়েরা।

Nirbachon porjonto ei ghula choltei thakbe
অনেক অনেক দিন আগে একটি বড় আপেল গাছ ছিল। একটি বালককে গাছটি খুব পছন্দ করতো। বালকটিও প্রতিদিন এসে গাছের চারপাশে খেলতো। গাছের ডালে উঠত। আপেল খেত। গাছের গুড়িতে শুয়ে তার ছায়ায় বিশ্রাম নিত। সেও গাছটিকে খুব ভালবাসতো আর আপেল গাছটি ও এতে খুবই আনন্দিত ছিল।

সময় গড়িয়ে যায়, কিন্তু অনেক দিন বালক আর গাছের নিচে খেলতে আসে না। একদিন হটাৎ বালকটি আবার গাছের কাছে ফিরে এলে।

গাছটি বললো, “তুমি আবার ফিরে আসায় আমি খুব আনন্দিত। এসো, আবার খেলা শুরু করো”

কিন্তু বালকটি শুধালো, “আমি এখন আর আগের বালকটি নেই। এখন আমি আর গাছের গুড়িতে দৌড়াদৌড়ি করে খেলা করি না। আমার এখন খেলনা চাই, কিন্তু খেলনা কিনতে টাকা প্রয়োজন।”

গাছটি বললো,”কিন্তু আমার কাছে তো টাকা নেই। তুমি চাইলে আমার সকল আপেল পেরে বাজারে বিক্রি করে টাকা জোগাড় করতে পারো”।

কথাটি বালকটির খুব মনপুত হলো। সে সব আপেল গাছ থেকে পেরে ব্যাগে করে নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হলো। বালকটি খুব আনন্দিত এবং বালকের আনন্দ দেখে গাছটিও খুব তৃপ্ত ও আনন্দিত হলো।

আপেল পেরে নিয়ে যাওয়ার পর অনেকদিন আর বালকটির দেখা নেই সেই আপেল গাছের গোঁড়ায়। গাছটি খুব দুঃখ পেলো।

হটাৎ একদিন বালকটি গাছের কাছে ফিরে এলো , ততদিনে সে পরিপূর্ণ যুবক। গাছটি এতে খুব আনন্দিত হলো।। বালকটিকে আবারো গাছের সাথে খেলতে অনুরোধ করলো সে।

কিন্তু বালকটি জানালো,”এখন আর তার সে সময় নেই। সে এখন অনেক ব্যাস্ত। তার এখন বাড়ি বানানো খুবই দরকার। এ জন্য গাছটির সাহায্য চাইলো”

কিন্তু গাছটি জানালো তার কোন বাড়ি নেই, তাই তাকে সাহায্য করতে পারছে না। তবে একটা বুদ্ধি দিলো, “তুমি চাইলে আমার কিছু ডাল-পালা কেটে নিয়ে যেতে পারো আর তা দিয়ে বাড়ি বানাতে পারো”

বালকটি তখন গাছের সকল ডাল-পালা কেটে নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি অভিমুখে চলে গেলো, পেছন ফিরে একবার ও গাছটির দিকে তাকালো না। বালকটির আনন্দে গাছটিও খুব আনন্দিত ছিল।

এরপর অনেক দিন আর বালকটির দেখা নেই গাছের গোঁড়ায়।। গাছটি আবারো একা হয়ে গেলো।

অনেক দিন পরে, হটাৎ এক গ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে গাছের গোঁড়ায় বালকটির আগমন। ততদিনে তার যৌবন পড়তির দিকে। জীবনের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তখন। গাছটি বালককে দেখে খুব খুশি হলো, আবারো তার সাথে খেলার অনুরোধ করলো।।

কিন্তু বালকটি জানালো,”আমার এখন আর খেলার বয়স নেই। আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। জীবন যুদ্ধে লড়তে লড়তে আজ আমি ক্লান্ত। আমাকে এখন আনন্দের জন্য, ক্লান্তি কাটাতে নদীতে মাছ ধরতে যেতে হবে। কিন্তু আমার কোন নৌকা নেই। তুমি কি আমাকে কোন সহায়তা করতে পারো??”

“তুমি চাইলে আমার গুড়ি কেটে নিয়ে যেতে পারো এবং এটা দিয়ে নৌকা বানিয়ে নিতে পারো”

গাছের এমন পরামর্শে বালকটির চোখে মুখে আনন্দের শিহরন খেলে গেলো। সে তৎক্ষণাৎ কুড়াল দিয়ে গাছের গুড়ি কেটে নিয়ে গেলো। এবং নৌকা বানিয়ে নদীতে চলে গেলো মাছ শিকারে। অনেকদিন আর তার দেখা নেই এখানে।

হটাৎ অনেকদিন পর শেষ পর্যন্ত গাছের কাছে ফিরে এলো লোকটি। ততদিনে সে জীবন সীমার শেষ প্রান্তে।

কিন্তু গাছটি শুধালো,”দুঃখিত বালক। আমার কাছে এখন আর তোমাকে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।কোন আপেল নেই……”

বৃদ্ধ হাসলো এবং বললো, “আমারো এখন আপেল খাওয়ার মতো দাত ও নেই”

– “কোন ডাল- পালা বা গুড়ি ও নেই যেখানে তুমি চড়বে”

– “গাছের ডালে চড়ার মতো বয়স ও এখন আমার নেই”

-“সত্যি ই এখন তোমাকে দেওয়ার মতো আমার আর কিছু অবশিষ্ট নেই শুধু মৃতপ্রায় মূলগুলো ছাড়া ” – গাছটি বললো।

“আমার এখন এগুলোর কোনটাই দরকার নেই। আমার শুধু বিশ্রাম নেওয়ার মতো একটা জায়গা চাই, যেখানে বসে আমি আমার এতোগুলো বছরের পাওয়া- না পাওয়ার হিসাবটা একটু মিলাবো।”- বৃদ্ধটি বললো।

“তাহলে মৃতপ্রায় গাছের মূল ই এর জন্য আদর্শ জায়গা। এখানে বসো আর ভাবো জীবন তোমাকে কি দিয়েছে, কি দেয় নি। কি করা উচিত ছিল, আর কি করা ঠিক হয় নি”- গাছটি বললো।

লোকটি গাছের মূলে বসলো আর গাছটি অনেক আনন্দিত হলো। আনন্দ গাছের কান্না হয়ে ঝড়ে পড়লো।।

শিক্ষাঃ আমাদের প্রত্যেকের জীবনেও এমন একটি “আপেল গাছ” আছে, আর তা হলো আমাদের পিতা-মাতা। এবার গাছটির ত্যাগ গুলোর সাথে আমাদের বাবা-মা কে মিলিয়ে দেখুন। আপনি কতটা ব্যাস্ত সেটা কোন কথা নয়, বরং বাবা- মায়ের সাথে জীবনের কথাগুলো শেয়ার করুন, সময় দিন

ভাই, আমি একজন ক্ষুদ্র ইউটিউবার। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া আমি এক পা ও এগোতে পারবো না। এজন্য আপনারা আমার চ্যানেলটিকে ঘুরে দেখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *